এতে কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন এবং অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে পড়েছে। নগরীর নিচু এলাকাগুলোতে কোথাও গোড়ালি, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমেছে। এতে কর্মস্থলমুখী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পানি ঢুকে পড়েছে দোকানপাট ও বাসাবাড়িতেও।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৯ মিলিমিটার অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, মুরাদপুর, ফরিদারপাড়া, চকবাজার, আগ্রাবাদ, উত্তর কাট্টলী, দক্ষিণ নালাপাড়া ও জামালখানসহ নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ষোলশহরে আটকে পড়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি শাটল ট্রেনষোলশহরে আটকে পড়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি শাটল ট্রেন
আবহাওয়া অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী আরও দুই থেকে তিন দিন এ ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হানিফ বলেন, ভবনের নিচতলায় হাঁটুপানি জমেছে। আর বাইরের সড়কে পানি জমেছে কোমরসমান। এ কারণে তিনি কর্মস্থলে যেতে পারেননি। পাঁচলাইশ এলাকার বাসিন্দা রহিম উদ্দীনেরও একই অভিজ্ঞতা। পানি জমে থাকায় তিনি ও তাঁর ছেলে কেউই বাসা থেকে বের হতে পারেননি।