• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
Headline
তৃণমূল রাজনীতির কিংবদন্তি মুজিবুর রহমান মঞ্জুর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ স্কুল ফিডিংয়ে তুঘলকি কাণ্ড, কলা-ডিম-রুটিতে সপ্তাহে ১৭ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ নরসিংদীতে চিংড়ি মাছে জেলী মেশানোর দায়ে পাইকারী ব্যবসায়ীকে জরিমানা মানচিত্রে ইসরাইলের বদলে ফিলিস্তিনের নাম, নতুন বিতর্কে চীন ‘জাতিগত নির্মূলের’ গাজায় ‘গণহত্যা’ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জাতিসংঘের চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন নার্গিস মোহাম্মদি :  ইরানের মুশফিক ১৬ হাজার রানের ক্লাবে নাম জয়ের জন্য বিশ্বরেকর্ড গড়েই জিততে হবে পাকিস্তানকে ‘পেদ্দি’-র ট্রেইলারে ঝলক নিয়ে হাজির রাম চরণ অবশেষে  ছিনতাইকারীর টানে কান ছিঁড়ে দুই ভাগ, ঝরছিল রক্ত

স্কুল ফিডিংয়ে তুঘলকি কাণ্ড, কলা-ডিম-রুটিতে সপ্তাহে ১৭ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ

ইকবাল খান, স্টাফ রিপোটার / ৬২ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পরিচালিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচিকে ঘিরে বড় ধরনের অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কলা, ডিম ও রুটির মতো সাধারণ খাবার সরবরাহে অস্বাভাবিক মূল্য দেখিয়ে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৭ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের প্রকৃত বাজারমূল্যের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি দাম দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হলেও কাগজে-কলমে উচ্চমূল্য দেখানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে প্রতিদিন লাখো শিক্ষার্থীর জন্য কলা, ডিম, রুটি ও অন্যান্য খাবার সরবরাহ করা হয়। কিন্তু মাঠপর্যায়ে তদারকির দুর্বলতা, ঠিকাদারি সিন্ডিকেট এবং প্রশাসনিক অনিয়মের সুযোগে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের পথ তৈরি হয়েছে।

কয়েকটি জেলায় অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একটি সেদ্ধ ডিমের বাজারমূল্য যেখানে ১২ থেকে ১৪ টাকা, সেখানে বিল দেখানো হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। একইভাবে কলা ও রুটির ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত মূল্য দেখানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক স্কুলে খাবারের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। কোথাও ছোট আকারের কলা, কোথাও বাসি রুটি কিংবা নিম্নমানের ডিম সরবরাহ করা হলেও কর্তৃপক্ষের নজরদারি কার্যকর নয়।

শিক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মসূচি যদি দুর্নীতির কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে এর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি এবং ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অনিয়মের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।

দুর্নীতি দমন ও সুশাসন নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছে, সরকারি অর্থে পরিচালিত এমন কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে শিক্ষার্থীদের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জনগণের আস্থাও কমে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কুল ফিডিং কর্মসূচিকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও অভিভাবকদের সমন্বিত নজরদারি জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা