সোমবার গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রাক্-বাজেট সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
সাইফুল আলম খান বলেন, তাঁর সংসদীয় এলাকা তেজগাঁও–কারওয়ান বাজার অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে একটি চাঁদাবাজি চক্র সক্রিয় রয়েছে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পাইকারি দোকান থেকে নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেন তিনি। এমনকি কিছু পাইকারি মুরগির দোকান থেকে মাসে প্রায় ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, কারওয়ান বাজার ছাড়াও মহাখালী বাসস্ট্যান্ড ও তেজগাঁও এলাকায় একই ধরনের অবৈধ অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটছে এবং এসব বন্ধে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
তবে তাঁর এসব বক্তব্যের সমালোচনা করেন সরকারি দল সমর্থিত সংসদ সদস্য মাহ্মুদা হাবীবা। তিনি বলেন, প্রমাণ ছাড়া এমন ঢালাও অভিযোগ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাঁর মতে, নির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ দেওয়া উচিত।
মাহ্মুদা হাবীবা আরও বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরে সাইফুল আলম খান পুনরায় দাবি করেন, অতীতের মতো বর্তমান সময়েও প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহল চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ করেননি।
সংলাপে অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, মোস্তাফিজুর রহমান, এ কে এনামুল হকসহ বিভিন্ন গবেষক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।