নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্বমানের উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটালি সমৃদ্ধ শিক্ষাসামগ্রী তৈরিতে গুগলের বৈশ্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ‘গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড পাবলিক পলিসি’র আঞ্চলিক প্রধান কাইলি গার্ডনারের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। বৈশ্বিক গতিধারা ও আধুনিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত ও আমূল পরিবর্তন আনতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চলছে। এ প্রক্রিয়ায় গুগল গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তি ও এআইয়ের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ করে গড়ে তোলা জরুরি। এ লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রমে গুগলের সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।
বৈঠকে গুগলের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে শিক্ষার প্রসার এবং প্রযুক্তিবান্ধব নীতি প্রণয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তারা শিক্ষা খাতে সরকারের কৌশলগত অগ্রাধিকার, লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।
আলোচনায় গুগলের প্রতিনিধিরা ‘গুগল এডুকেশন’-এর বৈশ্বিক কার্যক্রম ও সাফল্য তুলে ধরেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার, ‘জেমিনাই একাডেমি’ বাস্তবায়ন এবং প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ‘ক্রোমবুকস’ ব্যবহারের মাধ্যমে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে গুগল ফর এডুকেশনের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বিশেষ প্রকল্পের প্রধান টিম পাওলিনি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুর রহমান খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।