খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
বাটলার জানান, ছয়জন যাত্রীর মধ্যে চারজন অস্ট্রেলীয়, একজন ব্রিটিশ এবং একজন নিউজিল্যান্ডের নাগরিক। তারা ফ্লাইটে ওঠার আগে পরীক্ষায় নেগেটিভ ছিলেন। দুপুরের দিকে (০২০০ জিএমটি) অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে অবতরণের পরপরই তাদের আবারও পরীক্ষা করা হবে।
তিনি বলেন, এরপর তাদের পার্থ শহরের উপকণ্ঠে বিশেষভাবে নির্মিত একটি কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বাটলার অস্ট্রেলিয়ান সম্প্রচার মাধ্যম এবিসি’কে বলেন, তারা অন্তত তিন সপ্তাহ ওই কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন।
তিনি বলেন, ‘তারা এখন দেশে ফেরার পথে রয়েছে এবং বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থার আওতায় তাদের রাখা হবে।’
তাদের বহনকারী বিমানটি বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডস থেকে যাত্রা শুরু করে। এতে থাকা সব যাত্রীকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) পরিধান বাধ্যতামূলক করা হয়।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেশে ফেরা যাত্রীদের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত ৫০০ শয্যার ওই কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রটি তৈরি করা হয়েছিল।
এর আগে এমভি হন্ডিয়াস ক্রুজ জাহাজে ইঁদুর-বাহিত এই বিরল ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে তিনজনের মৃত্যু হয় এবং বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য সতর্কতা তৈরি হয়।
জাহাজটি ১ এপ্রিল আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রা শুরু করে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেয়।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, এই ভাইরাসের কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে সাধারণ মানুষের জন্য ঝুঁকি কম। তারা একে কোভিড-১৯ মহামারির সঙ্গে তুলনা করতে মানা করেছেন।
ভাইরাসটির সম্ভাব্য ৪২ দিনের সুপ্তিকাল বিবেচনায় প্রাথমিক তিন সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইনের পর যাত্রীদের পরবর্তী ব্যবস্থাপনা কী হবে, সে বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।