• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
Headline
জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বন্দর অবকাঠামো উন্নয়নে কাতার সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান : রবিউল আলমের মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের টেক্সটাইল সানকো মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন  দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে : প্রধান নির্বাচন কমিশনার বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করেছেন : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমের উদ্যোগে ‘খ’ থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হচ্ছে কুলিয়ারচর পৌরসভা কৃতি খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা দিল রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থা :  ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬ হিটেই বাদ ইমরানুর, ‘বড় লড়াই’ রাকিবের : কমনওয়েলথ গেমসে

ইউরোপে মোতায়েন থাকা িমার্কিন সামরিক উপস্থিতি পর্যালোচনা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তজাতিক ডেস্ক / ৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

ইউরোপে মোতায়েন থাকা মার্কিন সেনা ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে মূল্যায়ন শুরু করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন কর্মকর্তারা সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত মাসে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছিলেন, ইউরোপে মোতায়েন থাকা মার্কিন সামরিক শক্তির বিষয়ে একটি মূল্যায়ন করা হবে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী এলব্রিজ কলবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘মন্ত্রী হেগসেথ আগেই জানিয়েছিলেন, এটি হবে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা। এর উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে, ন্যাটো দ্রুত এবং স্থায়ীভাবে এমন এক পথে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে ইউরোপ তার নিজস্ব প্রতিরক্ষার প্রধান দায়িত্ব গ্রহণ করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই পর্যালোচনার ফলে ন্যাটো আরও শক্তিশালী, আরও সমান দায়িত্বশীল এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই একটি জোটে পরিণত হবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করেছেন। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের সময় তাদের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। ট্রাম্পের অভিযোগ, সংঘাতের শুরুতে ইউরোপীয় দেশগুলো মার্কিন বাহিনীকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

এদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথও সতর্ক করে বলেছেন, ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো যদি নির্ধারিত প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্য পূরণ না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র জোটে নিজের অর্থায়ন কমিয়ে দিতে পারে।

ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপকে জানিয়ে আসছে যে, ইউরোপীয় দেশগুলোকেই তাদের নিজস্ব প্রচলিত প্রতিরক্ষার মূল দায়িত্ব নিতে হবে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে চীনের দিকে কৌশলগত মনোযোগ বাড়াতে চায়।

এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পেন্টাগন ইতোমধ্যে ন্যাটো মিত্রদের জানিয়েছে যে, বিশ্বজুড়ে ন্যাটো অভিযানের জন্য যে পরিমাণ সামরিক সক্ষমতা বা সম্পদ যুক্তরাষ্ট্র সরবরাহ করে, তার পরিমাণ কমানো হচ্ছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category