• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
মীরসরাইয়ে জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে জুলাই গণঅভ্যূত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লিতে সংবাদমাধ্যমে বক্তব্যে বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল ১৭ বছরের স্বৈরাচারের অবসানের জন্য: শামা ওবায়েদ দেশজুড়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি করেছে: চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম ‘স্বৈরাচারী শাসকরা ফিরে আসেনি, শেখ হাসিনাও ফিরবেন না’—আমির হামজা ‘শেখ হাসিনা ছিলেন ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট’- রুহুল কবির রিজভী জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক তথ্যচিত্রের ‘ত্রুটি’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল চালু করা হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক. / ১৫ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা হবে।

আজ রোববার সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আবাসিক প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল মিল কর্মসূচির সম্প্রসারণ, পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিতকরণ, ভবিষ্যতে পরীক্ষামূলকভাবে রান্না করা গরম খাবার চালুর সম্ভাবনা, কর্মসূচির কার্যকর পর্যবেক্ষণ এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদারসহ সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের প্রধান লক্ষ্য প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর পুষ্টি নিশ্চিত করা।

স্কুল মিল কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

আলোচনায় প্রতিবেশী দেশ ভারতের স্কুল মিল কর্মসূচির অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে তার মিলের বিষয়টি উঠে আসে। পাশাপাশি দেশের শহর ও গ্রামাঞ্চল, ভৌগোলিক বৈচিত্র্য এবং আর্থসামাজিক অবস্থার ভিন্নতা বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনভিত্তিক পৃথক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেন প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বলেন, স্কুল মিল কেবল শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করে না; বরং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে, ঝরে পড়া রোধ করতে, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডব্লিউএফপি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুল গার্ডেন, পুষ্টি শিক্ষা এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে স্কুল মিল কর্মসূচির সমন্বয়ের মাধ্যমে ইতিবাচক সাফল্য অর্জন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যমান সমন্বিত প্রাথমিক শিক্ষা তথ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা তৈরিতে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়াতে উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেন।

বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডব্লিউএফপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category