• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন
Headline
ভারতের তরুণদের আন্দোলনে নাহিদ ইসলামের সংহতি: ফ্যাসিবাদের হাতে দক্ষিণ এশিয়া ছেড়ে দেওয়া যাবে না প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়নের পরীক্ষা স্থগিত: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জামায়াতের জেহাদসহ শহীদদের ত্যাগ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে প্রেরণার উৎস: রুহুল কবির রিজভী শাহজালালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জরুরি অবতরণ: পরিদর্শন করলেন পর্যটনমন্ত্রী বিরামপুরে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উজিরপুরে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান: লক্ষাধিক টাকার জাল জব্দ ও ধ্বংস অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান বাবুলের জানাজা অনুষ্ঠিত ধানদিয়া ইউনিয়নে ত্রাস সৃষ্টি করে দিনে দুপুরে ইলেকট্রিক করাত দিয়ে প্রায় ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ  ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ কানাডা প্রবাসী আবির নূর এরিকের দত্তসার রহমানীয়া মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্বজুড়ে ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে এল নিনো

আন্তজাতিক ডেস্ক / ২৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের এল নিনো নজিরবিহীন মাত্রায় পৌঁছাতে পারে। জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক সংস্থা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থাও (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, ১৯৫০ সালের পর দেখা সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোগুলোর একটি হতে পারে এটি।

ডব্লিউএমও বলেছে, এল নিনোর প্রভাবে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব আরও বাড়তে পারে। প্রশান্ত মহাসাগর বিপুল পরিমাণ সঞ্চিত তাপ ছেড়ে দেয়ায় বিশ্বের বড় একটি অংশে অস্বাভাবিক উষ্ণ আবহাওয়া দেখা দিতে পারে।

আবহাওয়াবিদ রায়ান মাউ পৃথিবীর জলবায়ুর একটি মানচিত্র এক্সে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘পৃথিবী প্রায় পুরোটাই লাল।’ তার মতে, শীতকালেও সর্বোচ্চ শক্তিতে এল নিনো অব্যাহত থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বিশ্বের প্রায় সব জায়গাতেই এর উষ্ণতার প্রভাব পড়তে পারে।

ডব্লিউএমও-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনো স্থায়ী হতে পারে। জলবায়ুবিজ্ঞানী জেক হাউসফাদার বলেছেন, এবারের এল নিনো ‘অজানা অঞ্চলে’ প্রবেশ করছে।
তার দাবি, নিনো ৩.৪ অঞ্চলের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে এখন ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি, যা এ পর্যন্ত রেকর্ড করা যেকোনো এল নিনোর তুলনায় বেশি।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ লিওন সিমন্স এবারের পরিস্থিতিকে বলেছেন ‘সুপার-ডুপার এল নিনো’। ডব্লিউএমও জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ দিকে বিশ্বের বড় একটি অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে সর্বোচ্চ ৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে।

এল নিনো হলো প্রাকৃতিক এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন (ইএনএসও) চক্রের উষ্ণ পর্যায়। এর প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়ে এবং বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ধরন বদলে যায়। ফলে কোথাও খরা, আবার কোথাও অতিবৃষ্টি ও বন্যা দেখা দিতে পারে।

এদিকে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের গবেষকরা সতর্ক করেছেন, এবারের ‘সুপার এল নিনো’র কারণে বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৫১ হাজার পর্যন্ত অতিরিক্ত মৃত্যু হতে পারে। তাদের হিসাবে, ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ ধরনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category