• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন
Headline
সুন্দরবনের কথিত বনদস্যু শাহিনুর সানা সাতক্ষীরায় আটক, উপকূলজুড়ে জেলেদের স্বস্তি ও আনন্দ জামায়াত আমির- জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে  মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু : যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা : যুক্তরাষ্ট্রের দুর্নীতি বিতর্কে মুখ খুললেন অভিনেত্রী শাবানা ছোটপর্দার আমি কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করিনি: পারসা ইভানা ফিফা বিশ্বকাপের বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনার নথি দেখাতে রাজি  দেশের খেলোয়াড়দের উন্নয়ন ও কল্যাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : আমিনুল রোগীর মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও নার্সদের ওপর হামলার বিচার দাবি সুবিধা পেতে বিএনপিতে ভিড়ছে ‘হাইব্রিড’, ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ

শিশু সহিংসতা দমন ও প্রতিরোধে কঠোর ট্রাইব্যুনাল : ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড, ৪ যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক. / ৩২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

শিশু সহিংসতা দমন ও প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনে বিচার প্রক্রিয়া তরান্বিত করা হয়েছে।

সেই লক্ষে সারা দেশে গঠিত হয়েছে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। শিশু সহিংসতায় করা মামলায় এই ট্রাইব্যুনালে সাজার পাশাপাশি অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল গত ৯ মাসে ২টি মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং ৪টি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল গত ৭ জুন পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এই মামলা মাত্র ৫ কার্যদিবসে রায় ঘোষণা করা হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে সরকার ২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ প্রণয়ন করে। এই আইনের অধীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রতি জেলা সদরে একটি করে ট্রাইব্যুনাল থাকবে এবং প্রয়োজনে সরকার উক্ত জেলায় একাধিক ট্রাইব্যুনালও গঠন করতে পারবে। এই ট্রাইব্যুনাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হবে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

এরই ধারাবাহিকতায় শিশু ধর্ষণ মামলার দ্রুত বিচারে সরকার পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেয়। এর উদ্দেশ্য ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ, ভিকটিমকে সুরক্ষা দেওয়া এবং কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এই বিশেষ ট্রাইব্যুনালেরই অংশ। নবগঠিত এই ট্রাইব্যুনাল গত বছর জুন মাস থেকে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু করে।

এই ট্রাইব্যুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের পর হত্যার মামলার বিচার করা হয়।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বাসসকে বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে ট্রাইব্যুনালে ৪৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি মামলায় আসামিদের সাজা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত ৬টি মামলার মধ্যে ২টি মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং ৪টি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
বর্তমানে এই ট্রাইব্যুনালে ১ হাজার ৯২১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বাসসকে বলেন, শিশু সহিংসতার মামলার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। শিশু সহিংসতা মামলা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য সরকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। শিশু সহিংসতার মামলায় শুধু কারাদণ্ড নয়, মৃত্যুদণ্ড ও বড় অংকের অর্থদণ্ডের রায় দিচ্ছে ট্রাইব্যুনাল। রায়ে ক্ষতিপূরণের অর্থ ভিকটিমের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ সাজার বিধান রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল সেই বিধান কঠোরভাবে প্রয়োগ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category