প্রতিষ্ঠানের সাবেক ছাত্র, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে মাদ্রাসার সকল কমিটি ও শুরা সদস্যদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে—জামিয়ার চলমান সমস্যা দ্রুত সমাধান করে প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। অন্যথায় ইলম ও দ্বীনি শিক্ষার এই ঐতিহ্যবাহী বাতিঘর মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, সাবেক মুহতামিম হাবিবুর রহমান সাহেব হুজুরের সময়ে মাদ্রাসার শৃঙ্খলা, শিক্ষার মান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অত্যন্ত সুন্দরভাবে পরিচালিত হতো। কঠোরতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের কারণে তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে সুসংগঠিত রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। অনেকের মতে, তাঁর সময়ে মাদ্রাসার পরিবেশ ছিল অধিক নিয়ন্ত্রিত ও শিক্ষাবান্ধব।
২০০৬ সালে মাদ্রাসার একজন সাবেক খাদেম জানান, “হাবিবুর রহমান সাহেব অত্যন্ত ভালো ও দায়িত্বশীল মানুষ ছিলেন। তাঁর চলে যাওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে পড়াশোনা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক মান কমতে শুরু করেছে।”
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে আবারও আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। অন্যথায় একটি স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে প্রতিষ্ঠানটির অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সবশেষে আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করা হয়, তিনি যেন এই দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেয়ামত পর্যন্ত টিকিয়ে রাখেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের তাওফিক দান করেন। আমিন।