বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ঢাকার পল্লবী এলাকায় রামিসার বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
এর আগে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে গত মঙ্গলবার পাশের ফ্ল্যাটের এক ভাড়াটিয়া নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত সোহেল রানা সকালে শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরে খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা পাওয়া যায়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে-কে আটক করলেও সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বুধবার ঢাকার একটি আদালতে অভিযুক্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলেও জানা গেছে।