বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের শাসনব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন।
তিনি বলেন, তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠিত হয়েছিল।
রোববার বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেট মহানগর বিএনপি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান নগরের শহীদ সুলেমান হলে অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত ও স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে আনতে বিএনপি দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার পরিমিতিবোধ, শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমের উদাহরণ স্থাপন করেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণ সরকারের সততা ও জবাবদিহিতার প্রতি আস্থা রাখছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নির্বাচনের সময় জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, শিগগিরই ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। পাশাপাশি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১২ শয্যার একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিমানবন্দর থেকে আম্বরখানা পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। এছাড়া নগরীর চারপাশে লিংক রোড নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সিলেট মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন— এম. এ. মালিক, মিফতাহ্ সিদ্দিকী, আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংকি ও বদরুজ্জামান সেলিম।
এ সময় সিলেট মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।