ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা, দেশপ্রেম, সততা, কর্মনিষ্ঠা ও নেতৃত্বগুণ আজও দেশের তরুণ সমাজকে অনুপ্রাণিত করে।
রোববার বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া জনগণের অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গঠনে তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম শহীদ জিয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক এবং জাতীয় সংকটের মুহূর্তে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া থেকে শুরু করে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে।
বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে শহীদ জিয়াউর রহমান দেশের কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ, খাল খনন কর্মসূচি, জনশক্তি রপ্তানি ও বেসরকারি খাতের বিকাশে তাঁর উদ্যোগ দেশের উন্নয়নের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।
কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরদার জাহিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি নেতা খান মনিরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মোল্লা আব্দুল গাফফার, কৃষকদল সভাপতি আল মামুন মুক্তি, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সরদার নাহিদসহ উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।