• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
Headline
সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: তথ্যমন্ত্রী চৌদ্দগ্রামে পৃথক ঘটনায় একই দিনে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু মিঠাপুকুরে বিষাক্ত মদ পানে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ২জন অসুস্থ হানিফ এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন আর নেই ১৮ বছরের নিচে তামাক বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ভারতের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ নেপাল যুগের জিন্নাহ নাহিদ, যুগের মওদূদী সাদিক কায়েম’— পাটওয়ারীর পোস্ট ঘিরে আলোচনা সংসদে বিরোধীদলের ভূমিকা মন্ত্রীদের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ: ডা. তাহের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর: তারেক রহমান তরুণ সমাজকে অনুপ্রাণিত করে জিয়াউর রহমানের আদর্শ: ঢাবি উপাচার্য

ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক দেবে জাতিসংঘ

অনলাইন ডেক্স / ১১ Time View
Update : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
Les contingents du Niger et du Bangladesh lors d'une opération militaire à Ansongo. Photo MINUSMA/Marco Dormino

আবেইতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ প্রদান করা হবে। আগামী ৫ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ পদক প্রদান করা হবে।

জাতিসংঘের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পদক তুলে দেবেন।

পদকপ্রাপ্ত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী হলেন— মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা ও সান্ত মণ্ডল।

২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেইতে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনী (ইউএনআইএসএফএ)-তে দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন।

অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শান্তিরক্ষীর স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন মহাসচিব। এছাড়া গত বছর নিহত ৫৯ জনসহ মোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ প্রদান করা হবে।

বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সামরিক ও পুলিশ সদস্য প্রেরণে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ। আবেই, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, সাইপ্রাস, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লেবানন, লিবিয়া, দক্ষিণ সুদান ও পশ্চিম সাহারাসহ বিভিন্ন মিশনে ২৭৭ জন নারীসহ ৪ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি সদস্য কর্মরত আছেন।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবচেয়ে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ৫০ হাজারেরও বেশি বেসামরিক, সামরিক ও পুলিশ শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন। মোট ১১৮টি দেশ ১১টি শান্তিরক্ষা মিশনে জনবল সরবরাহ করছে।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ ঘোষণা করে। ১৯৪৮ সালে প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন ‘ইউনাইটেড নেশনস ট্রুস সুপারভিশন অর্গানাইজেশন’ প্রতিষ্ঠার স্মরণে প্রতি বছর ২৯ মে এই দিবসটি পালিত হয়।

এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘শান্তিতে বিনিয়োগ’। যা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে টেকসই রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস অতীত ও বর্তমান সকল শান্তিরক্ষীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘শান্তিরক্ষা স্থিতিশীলতা ও আশার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় একটি পরীক্ষিত ও সাশ্রয়ী উপায়। তবে এর জন্য ধারাবাহিক রাজনৈতিক সমর্থন ও নির্ভরযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।’

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পরিবেশেও শান্তিরক্ষীরা বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিচ্ছেন এবং সহিংসতা প্রতিরোধ করছেন। পাশাপাশি আশার আলো জিইয়ে রাখছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অবদানের জন্য শান্তিরক্ষা কর্মীদের ‘ক্যাপ্টেন এমবায়ে দিয়াগনে মেডেল ফর এক্সেপশনাল কারেজ’, ‘মিলিটারি জেন্ডার অ্যাডভোকেট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ইউএন উইমেন পুলিশ অফিসার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা