• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
Headline
দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২১ জন নিহত, আহত ৫ বাংলাদেশি মেট্রোরেলের সময় ২০ মিনিট বাড়ছে, ৭ জুন থেকে নতুন সূচি কার্যকর ১২ মামলায় জামিনের পর কারামুক্ত হয়ে সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন সেলিনা হায়াৎ আইভী ডিএনডি বাঁধের জলাবদ্ধতা সমাধানে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত খলিলুর রহমানের ইউএনজিএ সভাপতি নির্বাচন: ১৭ কোটি মানুষের বিজয় বলে মন্তব্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ার পরিকল্পনা সরকারের : আমির খসরু অবহেলায় মায়ের মৃত্যু : যুগ্ম-সচিব সন্তানকে মোংলা বন্দর থেকে প্রত্যাহার বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: বাসস চেয়ারম্যানআনোয়ার আলদীন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ার পরিকল্পনা সরকারের : আমির খসরু

স্টাফ রিপোর্টার / ৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্যে অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক জটিলতা হ্রাস, সরকারি সেবায় ডিজিটালাইজেশন জোরদার এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে একটি সীমিত গোষ্ঠীর আধিপত্য এবং অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার কারণে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তনে অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ বা ডিরেগুলেশন কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার  রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অতীতে দেশের অর্থনীতি একটি পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছিল। ফলে বিধিনিষেধ ও নিয়ন্ত্রণের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এসব বিধিনিষেধ অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযোজ্য হলেও প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলো সেগুলোর বাইরে থেকে যায়। এতে ব্যবসার ক্ষেত্রে সমান সুযোগের পরিবেশ ব্যাহত হয়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ সকল নাগরিকের জন্য উন্মুক্ত করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সমাজের সব স্তরে পৌঁছে দেওয়া।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত কামার, কুমার, তাঁতি, কারুশিল্পী ও ক্ষুদ্র উৎপাদকরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম কাজ করলেও তাদের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। কারণ তারা কার্যকর নীতি সহায়তা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও বাজার সুবিধার পূর্ণ সুযোগ পাননি।

তিনি জানান, এসব উদ্যোক্তাদের জন্য রাজধানীর কাছে প্রায় ১৬০ একর জমির ওপর একটি ‘ক্রিয়েটিভ ডিস্ট্রিক্ট’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ, কাঁচামাল সহায়তা, ডিজাইন উন্নয়ন, ব্র্যান্ডিং, বিপণন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশীয় কারুশিল্প ও সৃজনশীল পণ্যের বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হবে।

আমির খসরু বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ মডেল সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। বাংলাদেশেও স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষায়িত পণ্য উৎপাদন ও বিপণনের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একজন উদ্যোক্তা এক জায়গায় আবেদন করলেই সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাইসেন্স ও নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ডিরেগুলেশন, ডিজিটালাইজেশন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির মাধ্যমে এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে, যেখানে দেশের প্রতিটি নাগরিক সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে এবং উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বিএনপির পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা