• মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
Headline
মায়ের লিভারে প্রাণ পেল পুত্র : মায়ের দান জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের খরচ সাড়ে ৪ কোটি টাকা পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের : শান্তর দুর্দান্ত পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট জেতায় টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান থালাপতির শপথের পর তৃষার রহস্যময় বার্তা, নতুন করে সম্পর্কের গুঞ্জন : আলোচিত জুটি  বাদ পড়লেন ভূমি : ‘দ্য রয়্যালস’র পাকিস্তানকে হারানোর স্বপ্ন দেখছেন আশরাফুল : চতুর্থ দিন শেষে আর্জেন্টিনার ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা : বিশ্বকাপ ফুটবল দুই ম্যাচ পাকিস্তানকে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ তিন দিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হতেই কিয়েভে রাশিয়ার ড্রোন হামলা : ইউক্রেন

হ্যান্ডবল থেকে যে কারণে বেঁচে গেলো পিএসজি : চ্যাম্পিয়ন্স লীগ

খেলাধুলা ডেস্ক / ১৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে পেনাল্টির জোরালো আবেদন করেও হতাশ হতে হয়েছে বায়ার্ন মিউনিখকে। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্ন সমর্থকরা রেফারি ও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়লেও, ফুটবলীয় আইনের মারপ্যাঁচে শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। ফিফার একটি বিশেষ ‘টেকনিক্যাল’ আইনের কারণেই মূলত পেনাল্টি থেকে বেঁচে গেছে ফাইনালিস্টরা।

বাভারিয়ানরা যখন প্রথম লেগের ৫-৪ ব্যবধান ঘোচাতে মরিয়া, তখন তৃতীয় মিনিটেই উসমান দেম্বেলের গোলে আরও এগিয়ে যায় পিএসজি। ম্যাচের আধা ঘণ্টার মাথায় নুনো মেনদেসের একটি সন্দেহভাজন হ্যান্ডবল রেফারি এড়িয়ে গেলে উত্তাপের শুরু হয়। হলুদ কার্ড দেখা এই ডিফেন্ডার লাল কার্ড থেকে বেঁচে গেলেও বিতর্কের শুরু সেখান থেকেই। আসল নাটকের শুরু হয় পিএসজির ডি-বক্সের ভেতরের এক মুহূর্তে। নিজেদের সীমানা থেকে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভিতিনহার শট সরাসরি গিয়ে লাগে তারই সতীর্থ জোয়াও নেভেসের প্রসারিত হাতে। স্পর্শটি অনিচ্ছাকৃত মনে হলেও নেভেসের হাতের অবস্থান স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচুতে ছিল। ফলে বায়ার্ন খেলোয়াড়রা পেনাল্টির দাবিতে ফেটে পড়েন। ভিএআর পর্যালোচনার পরও রেফারি পেনাল্টির বাঁশি না বাজানোয় মাঠেই ক্ষোভ ঝাড়েন ফুটবলাররা। মজার বিষয় হলো, প্রথম লেগে আলফানসো ডেভিসের শরীরে লেগে হাতে বল লাগার ঘটনায় পেনাল্টি পায় পিএসজি।

পেনাল্টি না দেয়ার মূল কারণ লুকিয়ে আছে ফুটবলের আইনের গভীরে। রেফারি ও ভিএআর কর্মকর্তাদের মতে, ঘটনাটি শুরু হয় ভিতিনহার একটি নিয়ন্ত্রিত ক্লিয়ারেন্স থেকে, যা আত্মরক্ষার চেষ্টাকালে নেভেসের হাতে গিয়ে লাগে। ফিফার অফিসিয়াল আইনানুযায়ী, ‘একজন খেলোয়াড়ের হাত বা বাহুতে যদি তার নিজের দলেরই কোনো সতীর্থের কাছ থেকে বল এসে আঘাত করে, তবে তাকে হ্যান্ডবল অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে না—যদি না সেই বল সরাসরি প্রতিপক্ষের জালে জড়ায় অথবা গোল করার তাৎক্ষণিক কোনো সুযোগ তৈরি করে।’

তবুও এ নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়ে বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেন, ‘বল শরীর থেকে হাতে লাগেনি, সরাসরি হাতে লেগেছে। সেটি নিজের খেলোয়াড়ের কাছ থেকে আসুক বা না আসুক, আইনের এই ব্যাখ্যাগুলো এক কথায় কেমন যেন। এই সিদ্ধান্তগুলো ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে।’

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা