দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের বিষয়টি সব রাষ্ট্রের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং এ ধরনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর দেওয়া প্রয়োজন।
তুরস্কের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা একটি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে তারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানায় এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও ঘৃণামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার কথা বলে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের কথা উল্লেখ করে “আলহামদুলিল্লাহ” লিখে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন সংবেদনশীল বিষয়ে উত্তেজনা না ছড়িয়ে কূটনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজা জরুরি।
ভারত সরকার বরাবরের মতোই দেশটিতে সব ধর্মের মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করেছে। দেশটির কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়ানো উচিত নয়।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।