• শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
আসিতেছে হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত প্রমোদতরীর চুক্তি হলো কিন্তু টিকবে তো: সিএনএনের বিশ্লেষণ যুদ্ধ শুরুর পাল্টা হুঁশিয়ারি ইসরাইলের :  ইরানের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুর যাচ্ছেন  সমঝোতা স্মারক সই জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ পাঠ্যবইয়ে ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান পশ্চিমবঙ্গ ইস্যু ও বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে : জমিয়তে ইসলাম নতুন আশা : চাহিদা বাড়ায় কোরবানির বাজারে ভালো লাভের আশা পশু ব্যবসায়ীদের মাদক থেকে দূরে রাখতে শিশুদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়াতে হবে : ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

‎সাবমেরিন কেবলে আলোকিত হবে মনপুরা, এমপি নয়নের মহাপরিকল্পনায় নতুন দিগন্ত ‎

‎চরফ্যাশন প্রতিনিধি / ৮ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

‎ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বড় ধরনের উন্নয়ন উদ্যোগ। সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে আন্তর্জাতিক মানের দরপত্র আহ্বান করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WZPDCL)। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে এটি হতে যাচ্ছে যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

‎বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের আওতায় “মনপুরা দ্বীপে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ (MIUEPDS)” প্রকল্পের অধীনে এ দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা করছেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন।

‎প্রকাশিত টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টার্নকি ভিত্তিতে ৩৩ কেভি সাবমেরিন কেবলের নকশা, সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ ও কমিশনিংসহ সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৪টি রানসহ মোট ২৮ কিলোমিটার ১সি ৩০০ বর্গমিলিমিটার সাবমেরিন কেবল স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে অত্যাধুনিক ল্যান্ডিং স্টেশন।

‎দরপত্রটি “ওয়ান স্টেজ টু এনভেলপ টেন্ডারিং মেথড (OSTETM)” পদ্ধতিতে আহ্বান করা হয়েছে এবং প্রকল্পের অর্থায়ন করা হবে WZPDCL-এর নিজস্ব তহবিল থেকে।

‎বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগ্রহী ঠিকাদারদের গত ১০ বছরের মধ্যে কমপক্ষে দুটি অনুরূপ প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ৩৩ কেভি বা তার অধিক ক্ষমতার সাবমেরিন কেবল স্থাপন, পরীক্ষণ ও চালুকরণের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অনুরূপ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে বিদেশে অন্তত একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো অগ্রাধিকার পাবে।

‎এ ছাড়া সাবমেরিন কেবল স্থাপনে ব্যবহৃত জাহাজের মডেল, ধরন ও সক্ষমতার প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার শর্তও রাখা হয়েছে। আগামী ২৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত দরপত্র জমা দেওয়া যাবে এবং একই দিন বিকেলে দরপত্র খোলা হবে। দরপত্রের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার টাকা।

‎সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মনপুরার বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে। দীর্ঘদিন ডিজেলনির্ভর ও সীমিত বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে থাকা দ্বীপবাসী পাবে নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সেবা। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ক্ষুদ্র শিল্প এবং পর্যটন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

‎স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনী প্রচারণাকালে সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন মনপুরায় সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আশার সঞ্চার হয়েছে।

‎সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হলে মনপুরার প্রায় ৯০ হাজার মানুষ সরাসরি এ সেবার আওতায় আসবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা