নিজস্ব প্রতিবেদক
চীন ও মালয়েশিয়ায় ছয় দিনের প্রথম সরকারি বিদেশ সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার রাতে দেশে ফিরেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি বাংলাদেশ সময় রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৬ মিনিটে বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সফরে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও সঙ্গে ছিলেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সরকারের কয়েকজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সিনিয়র নেতারাও বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান।
সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে মালয়েশিয়া সফর করেন। পরে তিনি চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সামার দাভোস সম্মেলনে অংশ নেন। এরপর বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।
বেইজিং সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া চীনের শীর্ষ ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশ-চীন ও বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।