• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
কালীগঞ্জে নতুন ঘর হস্তান্তর, কর্মসংস্থানে ছাগল উপহার সিরাজগঞ্জে কামারখন্দে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের খাবারের মান ও ওজন যাচাইয়ে ইউএনওদের তদারকির দাবি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা নয়, শান্তি : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী এতিম ৫ কন্যার পাশে দাঁড়ালেন সুস্থ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম  জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেফতার মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত : হামলা হলে বড় পরিসরে জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান মস্কোর জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে: পুতিন রোনালদো ইস্যুতে পর্তুগাল কোচ : নিয়ম সবার জন্য সমান

মস্কোর জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে: পুতিন

আন্তজাতিক ডেস্ক / ৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

বার্ষিক ভালদাই ফোরামে এক প্রশ্নের জবাবে পুতিনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া হবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, দেওয়া হবে।’

গত মাসে পুতিন সুইজারল্যান্ডের খাদ্যপণ্য জায়ান্ট নেসলে, ফরাসি খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওশাঁ, সাবেক লেরয় মারলিন ডিআইওয়াই চেইন এবং জার্মান পাইকারি ও খাদ্যপণ্য বিক্রেতা মেট্রোর ব্যবসা ও সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন।

পুতিন বলেন, রাশিয়া ‘কারও কাছ থেকে কিছু নেয় না, চুরি করে না বা জাতীয়করণ করে না।’

তিনি বলেন, আমরা কিছু প্রতিষ্ঠানকে বাহ্যিক ব্যবস্থাপনার অধীনে এনে থাকি। কিন্তু কিছু ইউরোপীয় দেশ কোনো নিয়মনীতির ধার না ধারে সরাসরি আমাদের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিয়েছে।

তিনি রাশিয়ার শীর্ষ তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম, রসনেফ্ট এবং লুকঅয়েলের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করেন।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রেমলিন ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর অধিকাংশ পশ্চিমা কোম্পানি দ্রুত রাশিয়ায় থাকা তাদের ব্যবসা ও শেয়ার বিক্রি করে দেয়—কিংবা অন্তত নিজেদের সেগুলোর থেকে আলাদা করে নেয়। কারণ নিষেধাজ্ঞার ফলে বেশিরভাগ পণ্যের ব্যবসা বাণিজ্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

অন্যান্য কোম্পানিগুলো কর্মী বা স্থানীয় নাগরিকদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে রাশিয়াতেই অবস্থান করে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই তারা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাপক মাত্রায় সংকুচিত করে ফেলে।

এরপর রাশিয়া বিদেশি কোম্পানিগুলোর দেশটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া কঠিন করে তোলে। এজন্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পদ সরাসরিও জব্দ করা হয়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category