নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা এবং দেশের পর্যটন আকর্ষণগুলোকে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
তিনি জানান, সারাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র চিহ্নিত করে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা (মাস্টার প্ল্যান) চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যটন নীতিমালা-২০২৬ প্রণয়নের কাজও শুরু হয়েছে।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য শওকত আরা আক্তারের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, পর্যটন খাতের তথ্যের ঘাটতি দূর করে পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটিভিত্তিক পর্যটন মডেলে বিভিন্ন পর্যটন স্পট উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদারে ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এমওইউ স্বাক্ষরের পর যৌথ স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে গঠন করা হবে একটি যৌথ টাস্কফোর্স।
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে ব্র্যান্ডিং করার লক্ষ্যে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ ওয়েবসাইট তৈরির কাজও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের পর্যটন খাতকে আরও পরিকল্পিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে বিশ্ববাসীর কাছে একটি আকর্ষণীয় আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা যাবে।