• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
Headline
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বাস্তবায়ন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান ড. মঈন খানের নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে বিশিষ্টজনদের মাঝে বাংলাদেশের আম উপহার শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ‘এটি ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট’ — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়তে শিক্ষা কারিকুলাম পুনর্গঠন করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী বাপেক্সকে শক্তিশালী করে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করবে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী উত্তরাঞ্চলে শিল্পায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে আসছে চীনা প্রতিনিধিদল ‘এটি সবার বাজেট, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর নয়’ — অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপে কানাডার ইতিহাস গড়া ড্র

রবীন্দ্র নারীদের রূপে মুগ্ধতা ছড়াল ‘নব আনন্দে জাগো’ আয়োজন : ফ্যাশন শো

বিনোদন ডেস্ক : / ৩০ Time View
Update : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

 

গীতি, নৃত্য এবং ফ্যাশন শো’-এর এক ছন্দময় উপস্থাপণার মধ্য দিয়ে ঠাকুর বাড়ি এবং রবীন্দ্র সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য নারী চরিত্রগুলোর এক অসাধারণ রূপায়ন মঞ্চস্থ হয়ে গেল রাজধানী ঢাকায়।

বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে ব্যতিক্রমী এই আয়োজনটি ছিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলশানের একটি হোটেলে।

একঝাঁক শিল্পী ও কলা-কুশলী তাদের অনবদ্য উপস্থাপণার মাধ্যমে চোখের সামনে হাজির করেছিলেন ‘শেষের কবিতা’র লাবণ্য, ‘গোরা’র সুচরিতা, ‘নষ্টনীড়ে’র চারুলতা, ‘ঘরে-বাইরে’র বিমলা, নৃত্যনাট্য থেকে চিত্রাঙ্গদা, চন্ডালিকা এবং শ্যামাসহ অনেককে।
ঠাকুরবাড়ির নারীদের মধ্যে কাদম্বরী দেবী, জ্ঞানদানন্দিনী, স্বর্ণকুমারী, সরলা, ইন্দিরা দেবী, মৃণালিণী দেবী, মাধুরীলতা, রেণুকা, মীরাদেবীর মত চরিত্র প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেন সবার মাঝে।

শিল্পী ও কলা-কুশলীদের মধ্যে লাবণ্য চরিত্র চরিত্র রূপায়ণ করেন রিপা, বিমলার চরিত্র রূপায়ণ করেন ইলা, গিরিবালা চরিত্র রূপায়ণ করেন রুনি, মৃণালিনীর চরিত্র রূপায়ণ করেন সাদিয়া, চারুলতার চরিত্র রূপায়ণ করেন সানজিদা, সুচরিতার চরিত্র রূপায়ণ করেন রিফাত, নন্দিনীর চরিত্র রূপায়ণ করেন বাবলি।
রবীন্দ্রগীতি ও নৃত্যনাট্যে শ্যামা চরিত্র রূপায়ণ করেন সাবা, চিত্রাঙ্গদা চরিত্র রূপায়ণ করেন অন্তরা এবং চন্ডালিকা চরিত্র রূপায়ণ করেন সুস্মিতা। ভানু সিংহের পদাবলিতে নৃত্য পরিবেশন করেন সামিনা হুসেন প্রেমা।

রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন স্বপ্নিল সজীব, ফারহিন খান জয়ীতা, মহুয়া মঞ্জুরী এবং সেমন্তী মঞ্জুরীসহ অনেকে। কাব্যপাঠ ও ধারাবিবরণীতে ছিলেন ত্রপা মজুমদার ও আশিকুল ইসলাম।

এই আয়োজনটি নির্দ্বিধায় ফ্যাশন শো জগতের এক নতুন সংযোজন। কারণ এর মধ্য দিয়ে ঠাকুর বাড়ি এবং রবীন্দ্র সাহিত্যের নারীদের পোষাক, সাজ-সজ্জা, স্টাইল এবং ব্যক্তিত্বকে রূপায়ণ করা হয় নিখুঁদভাবে।

বাংলা সাহিত্য, কাব্য, সুর, সংগীত, সংস্কৃতি, সভ্যতা এবং ঐতিহ্যকে এক মঞ্চে একাকার করে দেওয়ার মত এক অনবদ্য প্রচেষ্টা ছিল এই আয়োজনটিতে। মঞ্চসজ্জা থেকে শুরু করে সমগ্র প্রযোজনাটি কানায় কানায় পূর্ণ ছিল বাঙালিয়ানায়।

“নব আনন্দে জাগো” শিরোনামে এই অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অব বাংলাদেশ, ভারতীয় হাইকমিশন, বাংলাদেশ এবং ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার। সন্ধ্যা ছয়টা থেকে শুরু অনুষ্ঠানটি সংগীত, আবৃতি, গীতিনাট্য, নৃত্যনাট্য এবং ফ্যাশন শো-এর মধ্য দিয়ে অবিরত ছিল রাত ১০ টা অবধি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই-কমিশনার প্রণয় ভার্মা সাহিত্য, সংগীত ও কাব্যসহ সমাজ, রাষ্ট্র, মানবতা এবং বিশ্বশান্তির জন্য রবীন্দ্রনাথের অবদান তুলে ধরেন।

ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অব বাংলাদেশের সভাপতি মাহীন খান তার বক্তব্য রবীন্দ্রনাথ, ঠাকুর পরিবার এবং ঠাকুরবাড়ি ও রবীন্দ্র সাহিত্যের নারীদের নিয়ে তার এই ভাবনা প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অব বাংলাদেশের সাধারন সম্পাদক শৈবাল সাহা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা