• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
Headline
চ্যানেল আইয়ে জনপ্রিয় জুটি ‘অন্যরকম ভালোবাসা’ তানজিন তিশার ফেরা : ছোট পর্দায় ইরানে মৃত্যুদণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে ৩০টির বেশি দেশের মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের ১৯৭৮ সালের পর উত্তরসূরি নেদারল্যান্ডসের প্রথম বিদেশি কোচ জাভি টেস্ট ইতিহাসে তামিমকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে মোমিনুল বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন : মির্জা ফখরুল মৎস্যজীবী দলের নেতৃত্বে দায়িত্ব পেলে সংগঠনকে শক্তিশালী করার প্রত্যয় : নাদিম চৌধুরী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৬৯৩ রাজারবাগে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে: আইজিপি 

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না : হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেস্ক. / ৯৮ Time View
Update : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রায়ে আদালত এ নির্দেশনাকে ‘continuous mandamus’ হিসেবে ঘোষণা করেন, যাতে ভবিষ্যতে নির্দেশনার বাস্তবায়ন আদালত তদারকি করতে পারেন। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এ রায় ঘোষণা করেন। সোমবার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

হাইকোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৬ মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি ও নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত বলেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সম্ভাব্য নারী ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের কার্যক্রম আইন দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

রায়ে বলা হয়েছে, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য, কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা, সামাজিক ভারসাম্যহীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। আদালতের মতে, এ ধরনের চর্চা নারীর মর্যাদা, সমতা ও জীবনের অধিকারের বিরুদ্ধে যায় এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতারও লঙ্ঘন।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশে এ বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিল। শুধু একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বাস্তবায়ন, ডিজিটাল নজরদারি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়া এই অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়।
রায়ে আরও করা হয়, নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালিত অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণ ও তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকা প্রয়োজন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category