• শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
আসিতেছে হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত প্রমোদতরীর চুক্তি হলো কিন্তু টিকবে তো: সিএনএনের বিশ্লেষণ যুদ্ধ শুরুর পাল্টা হুঁশিয়ারি ইসরাইলের :  ইরানের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুর যাচ্ছেন  সমঝোতা স্মারক সই জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ পাঠ্যবইয়ে ফিরছে প্রকৃত ইতিহাস: এনসিটিবি চেয়ারম্যান পশ্চিমবঙ্গ ইস্যু ও বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে : জমিয়তে ইসলাম নতুন আশা : চাহিদা বাড়ায় কোরবানির বাজারে ভালো লাভের আশা পশু ব্যবসায়ীদের মাদক থেকে দূরে রাখতে শিশুদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়াতে হবে : ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে হত্যার রহস্য উদঘাটন।

রাজু আহাম্মেদ গাজীপুর  / ৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

গাজীপুর জেলার কাপাসিয়ায় ঘটে যাওয়া একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোড়ন ও শোকের ছায়া।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ জেলার গোপীনাথপুর এলাকার মোঃ আতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে মোঃ ফোরকান মোল্লা (৪০)-এর সাথে মোছাঃ শারমিন (৩৫)-এর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন কন্যা সন্তান ছিল। পারিবারিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ ও বিরোধ চলে আসছিল।
প্রায় ছয় মাস আগে ফোরকান মোল্লা স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা পূর্বপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। তিনি পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক ছিলেন। গত ৮ মে ২০২৬ রাতে ফোরকান মোল্লা তার শ্যালক মোঃ রসূল মোল্লাকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গোপালগঞ্জ থেকে কাপাসিয়ায় নিয়ে আসেন। এরপর রাতের কোনো এক সময়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ বা অচেতন করার সামগ্রী মিশিয়ে স্ত্রী, তিন কন্যা সন্তান ও শ্যালককে অচেতন করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহত শারমিনের পিতা মোঃ শাহাদৎ মোল্লার অভিযোগের ভিত্তিতে কাপাসিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন কাপাসিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ যোবায়ের।
ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার গাজীপুরের নির্দেশনায় কাপাসিয়া থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা