• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
Headline
দৃষ্টিহীন নূরজাহান বেগমের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ: কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবন ও দেশপ্রেম নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস: রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ভোলায় গৃহবধূর সাহসী প্রতিরোধ: ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্তের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন নারী লালমাইয়ে পরতি উচ্চ বিদ্যালয়ের “স্মৃতির মেলায়” ১ম পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ব্যাপক কর্মসূচি আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী টাঙ্গাইলে পশুর হাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিশ্ব শান্তিরক্ষী দিবসে শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো জাতিসংঘ সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবন ও দেশপ্রেম নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩০ Time View
Update : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
মো. সাহাবুদ্দিন। ফাইল ছবি

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং একজন বাস্তববাদী ও কর্মোদ্যমী রাষ্ট্রনায়কের স্বরূপ জনগণের মণিকোঠায় চিরজাগরূক থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে  দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপ্রধান এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি শহীদ জিয়ার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা

বাণীতে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করে বলেন, শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবন, অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর নীতি, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা, স্বনির্ভর উন্নয়ন ভাবনা এবং জীবন আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি নির্মমভাবে শহীদ হন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অসামান্য অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র পুনরুত্থানে অনন্য অবদান

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ জিয়ার ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন:

  • স্বাধীনতার ঘোষণা ও উদ্দীপনা: মহান মুক্তিযুদ্ধের উষালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। তাঁর এই আহ্বান ও স্বাধীনতার ঘোষণা সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

  • বীরত্বসূচক খেতাব: মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।

  • গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনা: রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক-ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন।

আর্থ-সামাজিক ও বৈদেশিক উন্নয়ন

দেশের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের গৃহীত বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে তিনি বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। বিশেষ করে তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার নিখুঁত রূপরেখা।

“আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও কর্মসংস্থান উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীর শেষাংশে বলেন, দেশ পরিচালনায় জিয়াউর রহমান অত্যন্ত স্বল্প সময় পেলেও গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন, যা আজও বাংলাদেশের ইতিহাসে এক সমুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা