• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
Headline
নাসিরউদ্দীনের বক্তব্য বিকৃতির অভিযোগ এনসিপির চাঁদাবাজদের দখলে পতেঙ্গা সৈকত অব্যবস্থাপনায় মুখ থুবড়ে পর্যটন সম্ভাবনা, রাজস্ব থেকে বঞ্চিত সরকার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা “রংপুরে দুই তরুণ গ্রেপ্তার, রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তরুণ উদ্যোক্তা ও জ্বালানিতে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিপিআর-এফএমডি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ জরুরি : সুলতান সালাউদ্দিন টুকু পিপিএম সেবা পদক পেলেন এসআই মনজুর রহমান লোহাগাড়ায় অসহায়দের পাশে শাহজাহান চৌধুরী ঢেউটিন বিতরণ, জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত ২৫-২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার-শনিবার ব্যাংকের শাখা খোলা রাখার অনুরোধ

শিগগিরই ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক. / ৯০ Time View
Update : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই দ্বিপক্ষীয় সফরে নয়াদিল্লি যেতে পারেন। বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র টাইমস নাওকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে ঢাকার পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নেয়ার সম্ভাবনা ‘প্রায় নিশ্চিতভাবেই নেই’।বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্লেষণ

দুই দেশের সম্পর্কে আরও অবনতি ঠেকাতে নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদারের উদ্যোগের মধ্যেই সম্ভাব্য এ সফরের খবর এলো। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে সদ্য নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বৈঠকটি ‘ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে’ বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

দ্বিপক্ষীয় সফর এবং ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশন- দুটির জন্যই আমন্ত্রণ পেলেও বাংলাদেশ সরকারের সূত্র টাইমস নাওকে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং শেখ হাসিনা ইস্যুর কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা ‘প্রায় নেই’।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর পরিবর্তে নয়াদিল্লিতে একটি স্বতন্ত্র দ্বিপক্ষীয় সফর আয়োজনের বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। বহুপক্ষীয় ব্রিকস সম্মেলনের রাজনৈতিক আবহ এড়িয়ে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে স্বাভাবিক করার লক্ষ্যেই এ ধরনের সফরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।সংবাদ ওয়েবিনার

আগামী কয়েক সপ্তাহেই স্পষ্ট হবে, ঢাকায় হাইকমিশনার ত্রিবেদীর সাম্প্রতিক উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্কে কতটা কার্যকর পরিবর্তন আনতে পারে। একই সঙ্গে ভারতের আইনি ও প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতার সঙ্গে বাংলাদেশের শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি কীভাবে সমন্বয় করা যায় এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ও গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মতো দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে কতটা অগ্রগতি হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category