পরিবারের অভিযোগ, তোহা হোসেনের মৃত্যুর পর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। এ ঘটনায় তার সৎ ভাইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে মাদক মামলায় জড়িয়ে গত ২৬ এপ্রিল তোহার স্ত্রী আখি খাতুনকে আটক করা হয় এবং পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এরপর থেকেই তিন শিশু সন্তান মায়ের জন্য মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ছোট ছোট শিশুরা প্রতিদিন জেলগেটের বাইরে ঘুরে বেড়ায়— শুধু একবার মাকে দেখার আশায়। আইন-কানুন কিংবা মামলার জটিলতা বোঝার বয়স হয়নি তাদের; তারা শুধু জানে, লাল দেয়ালের ওপারে তাদের মা বন্দি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, শিশু তিনটি অনেক সময় না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। তাদের দেখভালের মতো তেমন কেউ এগিয়ে আসেনি। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক মানবিক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এদিকে আখি খাতুনের পরিবারের দাবি, তিনি নির্দোষ এবং দ্রুত তার জামিনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকারকর্মীরা শিশুদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সহানুভূতির ঝড় উঠেছে। অনেকেই শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।