• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline
চীন ও মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছয় মাস পর খুলছে পাগলা মসজিদের ১৩ দানবাক্স, নতুন রেকর্ডের প্রত্যাশা ডেম্বেলের জোড়া গোলে এগিয়ে ফ্রান্স, দ্রুতই এক গোল শোধ নরওয়ের পেপের জোড়া গোলে ইতিহাস গড়ল আইভরি কোস্ট, বিদায় কুরাসাও জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়তে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার অভিযোগ, ইরানকে দায়ী করলেন ট্রাম্প ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর মানবতার সেবায় প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত, আসছে আইন সংশোধন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে চীন: শি জিনপিং

সীমানা পিলার হারানোর পর থেকেই কি বাড়ছে বজ্রপাতে মৃত্যু?

স্টাফ রিপোটার / ৮৬ Time View
Update : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

নতুন করে আলোচনায় পুরনো প্রযুক্তি দেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতে প্রাণহানির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও বজ্রপাতে মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে পুরনো দিনের “সীমানা পিলার” এবং বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা।

অনেকের দাবি, ব্রিটিশ আমলে বিভিন্ন এলাকায় নির্দিষ্ট দূরত্বে স্থাপন করা হতো বিশেষ ধরনের সীমানা পিলার, যা একদিকে জমির সীমানা নির্ধারণে ব্যবহৃত হতো, অন্যদিকে বজ্রপাত প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখত। কথিত রয়েছে, এসব পিলারের মাথায় লোহা, তামা, পিতলসহ বিভিন্ন ধাতুর সংমিশ্রণ ব্যবহার করা হতো এবং তা মাটির গভীরে স্থাপন করা থাকায় বজ্রপাতের বিদ্যুৎ সহজে মাটিতে নেমে যেত।

স্থানীয় প্রবীণদের অনেকেই বলছেন, একসময় গ্রামাঞ্চলে এত বেশি বজ্রপাতে প্রাণহানি দেখা যেত না। পাশাপাশি উঁচু তালগাছও প্রাকৃতিক বজ্রনিরোধক হিসেবে কাজ করত বলে ধারণা করা হয়।

তবে কয়েক বছর আগে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে এসব পিলারের ভেতরে মূল্যবান ধাতু রয়েছে। এরপর দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় পিলার চুরির ঘটনা। অনেক স্থানে পুরনো পিলার ভেঙে ফেলা হয় বা হারিয়ে যায়। এরপর থেকেই বজ্রপাতের ভয়াবহতা বেড়েছে বলে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা দেখা যাচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ বলছেন, বজ্রপাত বৃদ্ধির পেছনে জলবায়ু পরিবর্তন, বন উজাড়, উঁচু গাছ কমে যাওয়া এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে। তারা বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে সচেতন মহল বলছে, গ্রামাঞ্চলে আধুনিক বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা স্থাপন, বেশি বেশি তালগাছ রোপণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাণহানি কমানো সম্ভব। সরকার এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেবে— এমন প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category