• রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন
Headline
রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব তারেক রহমানকে দিল বিএনপির স্থায়ী কমিটি এ মুহূর্তে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই: পেট্রোবাংলা গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগের প্রতিবাদে এনসিপির প্রতীকী মার্চ, পেট্রোবাংলা অবরোধের হুঁশিয়ারি বছরের শেষেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের আশা: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী পুলিশি যানবাহনের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ, সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান শুধু ঢাকা নয়, সমগ্র বাংলাদেশের সমন্বিত উন্নয়নই পারে রাজধানীকে বাসযোগ্য করতে নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিস স্থাপনে পুরাতন থানা ভবন পরিদর্শনে বিএনপি নেতারা সরকার-ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে ৪-৫ বছরের মধ্যে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্য এখনো জরুরি: নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশ থেকে আসা ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা অনুপ্রবেশকারী নয়, শরণার্থী: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

ধর্মের নামে বিভাজনের অপচেষ্টা রুখতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান ফখরুলের

Reporter Name / ২৮ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত, সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিতের আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে বিভক্ত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে এবং উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।

শুক্রবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদ আয়োজিত ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী বলেন, “ধর্মের নামে যারা দেশকে বিভাজনের দিকে নিয়ে যেতে চায়, তাদের অবশ্যই রুখে দিতে হবে। মৌলবাদকে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা একটি উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই।”

বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাজার বছর ধরে এ দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছে। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা স্মরণ করে বলেন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্যই ছিল মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি।

মন্ত্রী আরও বলেন, কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই সব নাগরিকের সমান অধিকার, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি জানান, সনাতন সম্প্রদায়, জাতিগত সংখ্যালঘু এবং সমতল ও পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

তিনি বলেন, দুর্গাপূজা, রথযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। আমরা কাউকে সংখ্যালঘু মনে করি না। নিজেদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সবাইকে সচেতন ও সোচ্চার থাকতে হবে।”

বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, “আমরা একই মাতৃভূমির সন্তান। আমাদের অভিন্ন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category