• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
Headline
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বাস্তবায়ন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান ড. মঈন খানের নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে বিশিষ্টজনদের মাঝে বাংলাদেশের আম উপহার শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ‘এটি ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট’ — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়তে শিক্ষা কারিকুলাম পুনর্গঠন করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী বাপেক্সকে শক্তিশালী করে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করবে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী উত্তরাঞ্চলে শিল্পায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে আসছে চীনা প্রতিনিধিদল ‘এটি সবার বাজেট, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর নয়’ — অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপে কানাডার ইতিহাস গড়া ড্র

মরুভূমির বিস্ময় “রিসারেকশন প্লান্ট”: শুকিয়ে গেলেও আবার জীবন্ত হয়ে ওঠে

আন্তজাতিক ডেস্ক / ৬৮ Time View
Update : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

পৃথিবীর শুষ্ক ও মরুভূমি অঞ্চলে এমন কিছু উদ্ভিদ রয়েছে, যেগুলো দীর্ঘ সময় সম্পূর্ণ শুকিয়ে মৃতপ্রায় অবস্থায় থাকলেও পানি পেলেই আবার জীবন্ত হয়ে ওঠে। বিজ্ঞানীরা এই অসাধারণ ক্ষমতাকে বলেন ডেসিকেশন টলারেন্স (desiccation tolerance)। এসব উদ্ভিদকে সাধারণভাবে “রিসারেকশন প্লান্ট” নামে পরিচিত।

সবচেয়ে পরিচিত রিসারেকশন প্লান্টগুলোর মধ্যে রয়েছে Selaginella lepidophylla, যা “রোজ অব জেরিকো” নামেও পরিচিত। এটি মূলত Chihuahuan Desert অঞ্চলে জন্মায়। এছাড়া আফ্রিকার শুষ্ক এলাকায় পাওয়া যায় Myrothamnus flabellifolia এবং দক্ষিণ আফ্রিকার পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মায় Xerophyta viscosa

গবেষণায় দেখা গেছে, চরম খরা বা শুষ্ক পরিবেশে এসব উদ্ভিদের দেহের প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ পানি হারিয়ে যায়। তখন পাতাগুলো কুঁকড়ে বাদামি হয়ে যায় এবং উদ্ভিদের বিপাকীয় কার্যক্রম প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোষের অভ্যন্তরীণ গঠন অক্ষত থাকে। পানি ফিরে পেলে কয়েক ঘণ্টা বা দিনের মধ্যেই উদ্ভিদগুলো আবার সবুজ হয়ে স্বাভাবিকভাবে সালোকসংশ্লেষণ শুরু করে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এসব উদ্ভিদ ট্রেহালোজ ও সুক্রোজের মতো বিশেষ শর্করা তৈরি করে, যা শুকিয়ে যাওয়ার সময় কোষের প্রোটিন ও ঝিল্লিকে সুরক্ষা দেয়। একই সঙ্গে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষতিকর অক্সিজেনজাত যৌগের আক্রমণ থেকেও কোষকে রক্ষা করে।

বর্তমানে রিসারেকশন প্লান্ট নিয়ে কৃষি, জিন প্রকৌশল ও মহাকাশ জীববিজ্ঞানে ব্যাপক গবেষণা চলছে। গবেষকদের ধারণা, এই উদ্ভিদের জিনগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে ভবিষ্যতে খরা-সহনশীল ফসল তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বজুড়ে যখন পানির সংকট বাড়ছে, তখন রিসারেকশন প্লান্ট টিকে থাকার এক নতুন বৈজ্ঞানিক কৌশলের দিক নির্দেশনা দিচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা