• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
Headline
২৩ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: ভোটগ্রহণ চলছে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ভোটের প্রত্যাশা ছিল : নাহিদ ইসলাম ইতালিতে হোটেল নোংরা করার অভিযোগ জেমসদের বিরুদ্ধে : জরিমানা লম্বা ছুটিতে সাফা কবির : ছোট পর্দা স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেলেন দীপু মনি বিদ্যুৎ সংকটে সরকারের দায় নেই, তবুও জনগণের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ: তথ্য উপদেষ্টা মেসির দারুণ গোল, সুলিভানের লাল কার্ড; তবুও জয়হীন মিয়ামি পচেফস্ট্রুমে ম্যাচ বাঁচাল বাংলাদেশ : অঙ্কনের ৩৫ ওভারের লড়াই ফেনীতে পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা ও শৃঙ্খলার ওপর দিকনির্দেশনা দিলেন ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী সাবেক কূটনীতিক ট্রাম্পের চাপেই ইরানিরা আরও ঐক্যবদ্ধ

গাইবান্ধায় কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে 

ওমর ফারুক / ৩৪ Time View
Update : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

স্টাফ রিপোটার গাইবান্ধাঃ
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ পরিবেষ্টিত খারজানি চরে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বেসরকারি সহায়তায় ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।
প্রায় দুই বছর আগে নদীভাঙনের শিকার হয়ে এই চরে আশ্রয় নিয়েছিল প্রায় ৭০টি পরিবার। চলতি বছরের ১৮ মে সকালে মাত্র পাঁচ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে তাদের ঘরবাড়ি, গাছপালা ও স্যানিটারি ল্যাট্রিনসহ সহায়-সম্পদ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এতে খোলা আকাশের নিচে দিনযাপন করতে বাধ্য হয় পরিবারগুলো।
সরকারিভাবে কিছু চাল সহায়তা মিললেও ঘরবাড়ি মেরামতের সামর্থ্য ছিল না দুস্থ পরিবারগুলোর। এগিয়ে আসে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)। সংস্থাটি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে নতুন স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন এবং ঘর মেরামত ও নির্মাণে ঢেউটিন বিতরণ করে।
স্থানীয় বাসিন্দা হবিবুর রহমান বলেন, ঝড়ে সব হারিয়ে কিছুদিন খোলা আকাশের নিচে ছিলেন তারা; ঢেউটিন ও ল্যাট্রিন পেয়ে এখন নিরাপদে আছেন। আরেক সুবিধাভোগী সোনাবান বেগম জানান, ল্যাট্রিন উড়ে যাওয়ায় নারী ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল, নতুন ল্যাট্রিনে সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে।
গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস সালাম জানান, দাতা সংস্থা এডব্লিউও ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ঝড়ের ক্ষত পুরোপুরি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন হলেও পরিবারগুলো এখন গবাদিপশুসহ নিরাপদে বসবাস করতে পারছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category