• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন
Headline
আক্কেলপুর রেলস্টেশনে যাত্রীছাউনি না থাকায় চরম দুর্ভোগ ফতেহাবাদের জন্মসনদ বিতর্কে নতুন মোড় দেবিদ্বারে বাংলাদেশি নাগরিকদের রোহিঙ্গা বলে প্রচার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে কোষাগার লুট করেছে: স্পিকার তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন সম্ভাবনাময় খাতে ফরাসি বিনিয়োগ ও বাজারে প্রবেশাধিকার চাইল বাংলাদেশ দুর্নীতির বিচার না করে দুদককে রাজনৈতিক হাতিয়ার করা হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ ব্রিকসে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি’ নিয়ে ঐকমত্য কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে কোনো গায়েবি মামলা হয়নি: আইনমন্ত্রী লিফট নয়, সিঁড়ি বেয়ে ষষ্ঠ তলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আক্কেলপুর রেলস্টেশনে যাত্রীছাউনি না থাকায় চরম দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক (জয়পুরহাট) / ৩৩ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, জয়পুরহাটঃ

জয়পুরহাট ও আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশনে পর্যাপ্ত শেড বা যাত্রীছাউনি না থাকায় প্রতিদিনই চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হাজারো যাত্রী। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী যাত্রীরা। বৃষ্টি কিংবা তীব্র রোদে তাঁদের দীর্ঘক্ষণ খোলা আকাশের নিচে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

আক্কেলপুর রেলস্টেশনে বৃষ্টি শুরু হলেই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছোটাছুটি করতে দেখা যায় যাত্রীদের। কেউ স্টেশনের কাউন্টারে, কেউ দোকানে, আবার কেউ ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে আশ্রয় নেন। কিন্তু ট্রেন আসার ঘোষণা হলেই তাঁদের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যেতে হয়। ফলে ট্রেনে ওঠানামার জন্য বাধ্য হয়েই রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে সেখানে অপেক্ষা করতে হয়।

স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, আক্কেলপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ মিটার। অথচ পুরো প্ল্যাটফর্মে কোনো যাত্রীছাউনি নেই। ফলে বৃষ্টির সময় পানিতে ভিজে এবং তীব্র রোদে ছায়ার অভাবে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষারত যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

শুধু সাধারণ যাত্রীই নন, রোগী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের নিয়ে যাতায়াতকারীদের দুর্ভোগ আরও বেশি। চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালে যাওয়ার সময় বৃষ্টিতে প্রেসক্রিপশন, চিকিৎসার প্রতিবেদন, ওষুধ ও খাবার ভিজে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। আবার প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘক্ষণ খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় অসুস্থ রোগীদের শারীরিক কষ্ট আরও বেড়ে যায়।

আক্কেলপুর রেলস্টেশন দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত মিলিয়ে ২০ থেকে ২২টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। গড়ে প্রতিদিন প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ এ স্টেশন ব্যবহার করেন। ট্রেন ক্রসিংয়ের কারণে সপ্তাহে গড়ে ২০ থেকে ২৫ বার ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন দাঁড়ায়। এসব সময়ে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

ভুক্তভোগী কয়েকজন যাত্রী বলেন, ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে রোদ-বৃষ্টির মধ্যে অপেক্ষা করতে তাঁদের খুব কষ্ট হয়। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়ে যায়। অনেক সময় বৃষ্টির কারণে যাত্রীরা সময়মতো প্ল্যাটফর্মে যেতে না পারায় ট্রেনও মিস করেন। তাঁদের দাবি, দ্রুত ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে একটি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হোক।

আক্কেলপুর স্টেশনমাস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রীছাউনি না থাকায় যাত্রীদের ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে। প্ল্যাটফর্মটি ছোট হওয়ায়ও যাত্রীদের অসুবিধা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আগামীতে রেলের একটি সম্প্রসারণকাজ হওয়ার কথা রয়েছে। সে সময় এই প্ল্যাটফর্মে যাত্রীছাউনি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

যাত্রীদের দাবি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অপেক্ষায় না থেকে দ্রুত অন্তত একটি অস্থায়ী শেড নির্মাণ করা হলে রোদ-বৃষ্টিতে তাঁদের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category