কুমিল্লার হোমনায় আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রায় ছয় মাস পর তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। রবিবার সকালে বাজারের পাশের ড্রেজারের বালুর স্তূপের নিচ থেকে একটি ছুরি, দুটি ব্যাগ, একগোছা চাবি ও একটি তালা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তা উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের দাবি, উদ্ধার হওয়া ব্যাগ দুটি হত্যাকাণ্ডের সময় জহিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে খোয়া গিয়েছিল। এছাড়া উদ্ধারকৃত চাবির মধ্যে একটি দিয়ে নিহতদের ঘরের তালা খোলা গেছে। ফলে এসব আলামতের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে উত্তর মনিপুর গ্রামের প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী (৩২), চার বছরের ছেলে মোহাম্মদ হোসাইন এবং ভাতিজা জুবায়ের (৫)-কে দুর্বৃত্তরা গলা কেটে হত্যা করে।
এ ঘটনায় প্রবাসী জহিরুল ইসলাম অজ্ঞাত আসামী করে হোমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিন্ত ঘটনায় পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই ও ডিবি তদন্তে নামলেও ছয় মাসেও এ মামলার দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। এমন কি সন্দেহ ভাজন কেহ গ্রেফতও হয়নি।
দীর্ঘ ৬ মাস পরেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটিত না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছিল।আজ এসব আলামত উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া আলামতগুলো আলোচিত ট্রিপল মার্ডারের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।